সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম
রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী দেশে বদলে যাচ্ছে জ্বালানি তেলের বাজার, সুযোগ পাচ্ছে বেসরকারি খাত খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ওমর ফারুকের ইন্তেকাল দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘে যাবেন প্রধানমন্ত্রী : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় অভিন্ন : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আশুলিয়ায় স্ত্রী-সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, রামদাসহ স্বামী আটক
Headline
Wellcome to our website...
নরওয়ের রাজা হ্যারাল্ড এর মৃত্যু
/ ১৭ : টাইম ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৫ পূর্বাহ্ন

ডেস্ক রিপোর্ট : নরওয়ের রাজা পঞ্চম হ্যারাল্ড মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। শুক্রবার রাজ প্রাসাদ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, অসলো ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
এরপর রাজপ্রাসাদের ছাদে থাকা রাজকীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়েছে। খবরে বলা হয়, বিরল রক্তজনিত রোগ ‘হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়ায়’ আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। মৃত্যুর আগের ২৪ ঘণ্টায় রাজপরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে তাকে শেষবারের মতো দেখেন। একই সময়ে প্রাসাদের সামনে ভিড় করেন সাধারণ মানুষ—ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানান তারা। হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া এমন একটি রোগ, যেখানে শরীরে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা কমে যায়, ফলে ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। হ্যারাল্ড ছিলেন নরওয়ের প্রথম রাজা, যিনি ১৪শ শতাব্দীর পর নিজ দেশে জন্মগ্রহণ করেন। তার মৃত্যুর পর ৫৩ বছর বয়সী ছেলে ক্রাউন প্রিন্স হাকন আনুষ্ঠানিকভাবে সিংহাসনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
শুক্রবারই সরকারের সঙ্গে একটি বিশেষ কাউন্সিল অব স্টেট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ৩৫ বছরের শাসনামলে রাজা হ্যারাল্ডকে আধুনিক ও সংস্কারমুখী এক জনপ্রিয় শাসক হিসেবে স্মরণ করা হবে। তিনি রাজপরিবারের প্রথা ভেঙে একজন সাধারণ পরিবারের নারীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং দেশের সংকটময় মুহূর্তগুলোতে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, শ্রদ্ধাভাজন এবং জনগণের গভীর ভালোবাসার মানুষ—যাকে অনেকেই দেশের “দাদার মতো অভিভাবক” এবং “জনতার রাজা” হিসেবে আখ্যা দিতেন। এই উপাধি তার পিতা রাজা ওলাভ পঞ্চমের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হতো। ২০১১ সালে ওসলো ও উতোইয়া দ্বীপে ভয়াবহ বোমা ও বন্দুক হামলার পর তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, “ভয়কে কখনো জয়ী হতে দেবেন না।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজে লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.