সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম
রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী দেশে বদলে যাচ্ছে জ্বালানি তেলের বাজার, সুযোগ পাচ্ছে বেসরকারি খাত খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ওমর ফারুকের ইন্তেকাল দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘে যাবেন প্রধানমন্ত্রী : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় অভিন্ন : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আশুলিয়ায় স্ত্রী-সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, রামদাসহ স্বামী আটক
Headline
Wellcome to our website...
রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর
/ ০ : টাইম ভিউ
আপডেট : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ন

ডেক্স রিপোর্ট : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। কেউ যদি ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করেন, তাহলে ওই আসামির পক্ষে আর আপিল করার সুযোগ থাকবে না।
আইনে পরিষ্কার বলা আছে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। পরবর্তী সময়ে আর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না।
সোমবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। এসময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আবুল কালাম আযাদ (একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত) অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আদেশে আপিল দায়েরের শর্তে তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলেছিল। সরকারের ওই আদেশ ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে বলা আছে, ৩০ দিন পর আর কোনো আপিল করা যাবে না। নির্বাহী আদেশের কোনো এখতিয়ার নেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনকে সুপারসিড (রদ করে বা অতিক্রম করে) করে কোনো আদেশ দেওয়ার। অতএব আবুল কালাম আযাদকে আপিল দায়েরের শর্তে আত্মসমর্পণের যে সুযোগ দিয়েছিল, এ অংশ ইললিগ্যাল, আনলফুল। কিন্তু আবুল কালাম আযাদের সাজা স্থগিতের বিষয়ে তাদের কোনো দ্বিমত নেই। সেটা সরকারের এখতিয়ার আছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আবুল কালাম আযাদকে এই ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি যেকোনো কারণেই হোক দীর্ঘদিন বাংলাদেশ থেকে অনুপস্থিত ছিলেন অথবা তিনি আপিলটা ফাইল করতে পারেননি বা করেননি। আইনে পরিষ্কার করে বলা আছে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। আইনে এটাও বলা আছে, যদি ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা না যায়, তাহলে পরবর্তী সময়ে আর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না। সেটা যে কারও আপিলই হোক। সেটা হোক শেখ হাসিনার, সেটা হোক আবুল কালাম আযাদের, অর্থাৎ যেকোনো পলাতক আসামি অথবা যারা জেলে আছেন তাকে অবশ্যই আপিলটা করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে। কেউ যদি ৩০ দিনের মধ্যে এসে আপিল না করেন, তাহলে ওই আসামির পক্ষে আর আপিল (করার) দায়েরের সুযোগ থাকবে না।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজে লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.