
কলকাতা, ২ আগস্ট: হাওড়ার পিলখানা এলাকার ৭ নম্বর আলম মিস্ত্রি লেনে ভাড়া নেওয়া একটি কারখানার সন্ধান মিলেছে, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে পোশাকের ট্যাগ তৈরির কাজ চলত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে গত পাঁচ দিন ধরে কারখানাটি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্ন ও জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, কারখানাটি পরিচালনার সঙ্গে হামিম এবং তাঁর বাবা মইনুদ্দিন মণ্ডল জড়িত ছিলেন। প্রায় ১১ মাসের চুক্তিতে মাসিক ১১ হাজার টাকা ভাড়ায় দুটি ঘর নিয়ে সেখানে পোশাকের ট্যাগ তৈরির কাজ পরিচালিত হতো। হামিম ও তাঁর বাবার পাশাপাশি আরও একজন মহিলা কর্মী সেখানে কাজ করতেন বলেও জানা গেছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত চার থেকে পাঁচ দিন ধরে কারখানার দরজা বন্ধ রয়েছে। ভেতরে কোনো ধরনের কাজকর্মের চিহ্ন দেখা যায়নি। আরও জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে শেষবার হামিমকে কারখানায় দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকে তাঁর অবস্থান বা কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কেউ নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছেন না।
হঠাৎ করে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং হামিমের অনুপস্থিতির ঘটনায় আলম মিস্ত্রি লেন এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—কারখানাটি ঠিক কী ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করত, কেন হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল এবং হামিম বর্তমানে কোথায় রয়েছেন।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় থানার পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখা শুরু করেছে বলে জানা গেছে। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা।
এদিকে, পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন সবার নজর।
প্রতিবেদন: সমরেশ রায় ও শম্পা দাস
স্থান: কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ


