শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
Headline
Wellcome to our website...
খুলনা আর্ট একাডেমিতে আলো মিডিয়া গ্রুপ আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
/ ৪৯৪ : টাইম ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫, ২:১৩ অপরাহ্ন

খুলনা প্রতিনিধি : খুলনা আর্ট একাডেমিতে আলো মিডিয়া গ্রুপের উদ্যোগে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করেন কবি ও গীতিকার মোঃ জাবেদুল ইসলাম। বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও হাতের লেখা প্রতিযোগিতা শুরু হয় এবং বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলে। প্রতিযোগিতায় তিনটি গ্রুপে মোট ১০৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তিনটি বিভাগের আটটি গ্রুপ থেকে ২৪ জন শিশু শিল্পীকে মেধা তালিকায় স্থান দিয়ে মেডেল ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে উত্তম পুরস্কার দেওয়া হয়। বিশেষ দিক হলো কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন ফি নেওয়া হয়নি। এ জন্য খুলনা আর্ট একাডেমি ও খুলনাবাসীর পক্ষ থেকে চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস ধন্যবাদ জানান আলো মিডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আহমেদ হোসাইন ছানু এবং কবি ও গীতিকার মোঃ জাবেদুল ইসলামকে, খুলনায় এমন একটি সফল অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য।এরপর শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ পর্ব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন আলো মিডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সাংবাদিক ও সংগঠক আহমেদ হোসাইন ছানু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মোঃ মাহফুজুর রহমান, খুলনা মিউজিক ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক রামপ্রসাদ রায়, কয়রা থেকে আগত সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান সোহেল রানা ও আসাদুল হক, কবি ও সাংবাদিক মোঃ রহমত আলী এবং বাগেরহাটের বাউল শিল্পী প্রবীর শীল। অনুষ্ঠানে জাবেদুল ইসলাম রচিত দুটি গানে সুর দিয়ে পরিবেশন করেন শিল্পী প্রবীর শীল, এবং তাঁর লেখা কবিতা আবৃত্তি করেন অনামিকা সাহা তিন্নি। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস। সহকারী পরিচালক শিলা বিশ্বাস সার্বিক সহযোগিতা করেন শর্মি দেবনাথ। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিচারক ছিলেন মহানন্দ গাইন (গাইন’স স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক) এবং শিল্পী পিন্টু, জয়দেব গাইন। হাতের লেখার বিচারক ছিলেন বর্ণমালা একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অক্ষর শিল্পী ও শিক্ষক ধনঞ্জয় রায়, আবৃত্তির বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অনামিকা সাহা তিন্নি।বিকেলের সাংস্কৃতিক পর্বে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শিশুদের মানসিক বিকাশ, সৃজনশীলতা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, “কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় উপস্থিত শিক্ষক, অভিভাবক ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। দিনব্যাপী কর্মসূচিটি বিকেলের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজে লাইক করুন