
বিশেষ প্রতিনিধ : সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল ও শোকসভা শুরু হয়েছে। শোকসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত হয়েছেন। বেলা ৩টায় তিনি শোকসভা মঞ্চে এসে পৌছেছেন। শুক্রবার সকাল থেকেই সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মী, সমর্থক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি দেখা যায়। দোয়া মাহফিল ও শোকসভাকে ঘিরে পুরো এলাকা কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় রাখা হয়েছে। প্রবেশপথে পরিচয়পত্র যাচাইসহ একাধিক ধাপে নিরাপত্তা তল্লাশি চলছে। নির্ধারিত কার্ড দেখিয়েই অতিথিদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শোকসভায় দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, চিকিৎসক, শিক্ষক, গবেষক ও সাংবাদিকরা অংশ নেবেন। রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা দর্শক সারিতে উপস্থিত থাকবেন, তবে তাদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি। অনুষ্ঠান চলাকালে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভেতরে ছবি তোলা, সেলফি ও হাততালি দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যারা ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না, তাদের জন্য বাইরে বড় পর্দায় শোকসভার কার্যক্রম সরাসরি দেখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।আয়োজকরা জানান, আমন্ত্রণপত্র ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে তালিকাভুক্ত অতিথিদের জন্য প্রয়োজনে বিকল্প প্রবেশপথের ব্যবস্থা থাকবে। মিডিয়াকর্মীদের জন্যও আমন্ত্রণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দাওয়াতপ্রাপ্ত রিপোর্টার, ক্যামেরাপারসন ও মাল্টিমিডিয়া কর্মীরা অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারবেন।শোকসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। তার সঙ্গে স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও শোকসভায় যোগ দেবেন।উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ভোরে বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুর পরদিন ৩১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সে সময় মানিক মিয়া এভিনিউসহ পুরো সংসদ ভবন এলাকা শোকার্ত মানুষের ঢলে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। পরে তাকে তার স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে সমাহিত করা হয়।


