রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রী ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আগামী ১৪ এপ্রিল ভোটের বার্তা দিতেই মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বরানগরে রোড শো করলেন। লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দেশের অর্থনীতিকে অগ্রসর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। জাতীয় সংসদে আজ ২৪টিসহ চলতি অধিবেশনে মোট ৯১টি বিল পাস মানবাধিকার প্রতিদিনের প্রতিনিধি সম্মেলনে : ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতির  খুলনার ডুমুরিয়ায় ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: বিএনপির প্রার্থী বাদশা বিপুল ভোটে বিজয়ী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
Headline
Wellcome to our website...
অপপ্রচারের মুখে সত্য: আদালতের রায়ে বৈধ মালিকানা দাবি রফিকুল ইসলাম মনোহর আকন্দের
/ ৬৫ : টাইম ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার:জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চর ভাটিয়ানী মৌজার বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম মনোহর আকন্দ তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি অনলাইন সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন।সম্প্রতি একটি অনলাইন মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে জমি দখল, প্রভাব খাটানো ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার দাবি, এসব অভিযোগ তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।মো. রফিকুল ইসলাম মনোহর আকন্দ (পিতা: মৃত মো. দেলোয়ার হোসেন আকন্দ, গ্রাম: চর লোটাবর, ডাকঘর: গুনার বাড়ি, উপজেলা: মাদারগঞ্জ, জেলা: জামালপুর) জানান, যেসব জমি নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে সেগুলো তার ও তার অংশীদারদের নামে বৈধ দলিলপত্রে নিবন্ধিত রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা আইনসম্মতভাবে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।তার বক্তব্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জমির রেকর্ডে সিএস খতিয়ান নং ৩১৭ ও ৩১৯ এবং সিএস দাগ নং ৪০৩ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পরবর্তীতে একই জমি আরএস খতিয়ান নং ১ ও আরএস দাগ নং ৬০৫ এবং বি.এস খতিয়ান নং ৯১৯ খতিয়ানভুক্ত বিআরএস ৭২২ নং দাগের ৬ শতাংশ জমির অন্তর্ভুক্ত হয়। এছাড়া বিআরএস ১ নং খাস খতিয়ানভুক্ত বিআরএস ৫৪৮২ নং দাগের ২৭ শতাংশ জমির মধ্যে ৪ শতাংশসহ মোট প্রায় ১০ শতাংশ জমি নিয়ে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রার্থনা সংক্রান্ত মামলার বিষয়বস্তু রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।রফিকুল ইসলাম মনোহর আকন্দ আরও জানান, মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভূমির মধ্যে সিএস ৩১৭ নং খতিয়ানভুক্ত সিএস ৪০৩ নং দাগের ১৪ শতাংশ এবং সিএস ৩১৯ নং খতিয়ানভুক্ত একই দাগের আরও ১৪ শতাংশসহ মোট ২৮ শতাংশ জমির রেকর্ডীয় মালিকানা পূর্ব থেকেই বিদ্যমান রয়েছে।এছাড়াও নথিপত্র অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির একটি অংশে পুকুরের জমি রয়েছে। সম্পত্তির তফসিল অনুযায়ী মৌজা ভাটিয়ানী, প্রজার বিআরএস ১২৩৯ নং খতিয়ানভুক্ত জে.এল নং ৯৫-এর অন্তর্গত ৩২৪ নং দাগের ১০৬ শতাংশ জমির মধ্যে ২১ শতাংশ এবং ৪৫১ নং দাগের ৫ শতাংশ জমির মধ্যে ২ শতাংশসহ মোট প্রায় ২৩ শতাংশ পুকুরের জমি তার বৈধ অংশ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।তিনি আরও বলেন, জমির মালিকানা সংক্রান্ত মূল দলিল, খতিয়ান, রেকর্ড, কর পরিশোধের কাগজপত্রসহ প্রায় ১১২ পৃষ্ঠার আইনগত নথি তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। প্রয়োজনে এসব নথি প্রশাসন, আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা সম্ভব বলেও তিনি জানান।রফিকুল ইসলাম মনোহর আকন্দের বক্তব্য অনুযায়ী, জমির মালিকানা নিয়ে পূর্বে যে বিরোধ আদালতে গিয়েছিল, সে বিষয়ে শুনানি শেষে আদালত তার পক্ষে রায় প্রদান করেছেন। আদালতের ওই রায়ের মাধ্যমে জমির বৈধ মালিকানা তার ও তার অংশীদারদের নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং বর্তমানে তারা আইনসম্মতভাবে জমি ভোগদখলে রয়েছেন।তিনি জানান, বর্তমানে উক্ত জমির ওপর বসতবাড়ি, দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মিত রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরেই সেগুলো তাদের দখল ও ব্যবস্থাপনায় রয়েছে। ফলে হঠাৎ করে তার বিরুদ্ধে জবরদখলের অভিযোগ তোলা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলেও তিনি দাবি করেন।প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ট্রাক সমিতি জোরপূর্বক দখল এবং বিভিন্ন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার যে অভিযোগ করা হয়েছে, সে বিষয়েও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানান। তার মতে, এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রামাণ্য দলিল বা নির্ভরযোগ্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।তিনি অভিযোগ করেন, ব্যক্তিগত বিদ্বেষ, পূর্ব শত্রুতা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে।রফিকুল ইসলাম মনোহর আকন্দ বলেন, তার কাছে থাকা দলিল, রেকর্ড ও আদালতের রায়ে জমির বৈধ মালিকানা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রকৃত তথ্য যাচাই করা হলে বিষয়টির সত্যতা সবার সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠবে।এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজে লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.