
বিশেষ প্রতিনিধি : নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও ফলপ্রসূ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন চিঠিটি প্রকাশ করে। বার্তায় মোদি বাংলাদেশের নতুন সরকারপ্রধানের সফলতা কামনা করেন এবং দায়িত্ব পালনে সর্বাঙ্গীণ সাফল্য প্রত্যাশা করেন।চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক বহুস্তরীয় ও ঐতিহাসিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণে তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন খাতে যৌথ উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।নির্বাচনে বিজয় প্রসঙ্গে মোদি বলেন, এ ফলাফল বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জনগণ নতুন নেতৃত্বের প্রতি যে সমর্থন দিয়েছে, তা ভবিষ্যৎ পথচলায় শক্তি যোগাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। একই সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমাকেও সফরে সঙ্গী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনার আশ্বাস দেন।বার্তায় মোদি আরও বলেন, অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন ও আঞ্চলিক শান্তি-সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষা দুই দেশের সম্পর্ককে বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। উন্নয়ন অগ্রাধিকারে সাদৃশ্য ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন। দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ পরস্পরের টেকসই প্রবৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির অংশীদার হতে পারে—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন।প্রেস সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিটের এ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ভারতের স্পিকার আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকারের অধীনে দিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল হবে।


