
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) উত্তরা পশ্চিম থানা শাখার সাবেক সদস্য সচিব, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বৃহত্তর উত্তরা থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি আজমল হুদা মিঠুর বিরুদ্ধে দলের অভ্যন্তরে থাকা একটি কুচক্রী মহলের মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, দলের প্রতি মিঠুর দীর্ঘদিনের সীমাহীন ত্যাগ, অবদান ও নিষ্ঠাকে কোনোভাবেই অস্বীকার করা সম্ভব নয়।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, আজমল হুদা মিঠু দীর্ঘ সময় ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সৎ ও নিবেদিতভাবে যুক্ত। তিনি উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির সদস্য সচিব এবং বৃহত্তর উত্তরা থানা যুবদলের সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে ১/১১ সরকারের সময় ও দীর্ঘ ১৭ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দুঃসময়ে তিনি দল ও নেতাকর্মীদের পাশে থেকে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা উপেক্ষা করে দলকে সুসংগঠিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সম্প্রতি দলের ভেতরের কিছু ব্যক্তি তার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ ছড়িয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে কোনঠাসা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিষয়টিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে উত্তরা বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতা বলেন—
“আজমল হুদা মিঠুর মতো ত্যাগী, বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত নেতার রাজনৈতিক অতীত সোনার অক্ষরে লেখা। কিছু মানুষের মিথ্যাচার সাময়িক বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, কিন্তু তার অবদান কোনোদিনই মুছে ফেলা যাবে না।”
নেতারা আরও জানান, এমন অপপ্রচার দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি করছে; অথচ এই মুহূর্তে সরকারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলন জোরদার করার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু কুচক্রী মহল ইচ্ছাকৃতভাবে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল উসকে দিচ্ছে।
উত্তরা বিএনপির সকল স্তরের নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে আজমল হুদা মিঠুর পাশে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছেন এবং ঐ অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। তারা দলের হাইকমান্ডের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে দলের ভেতরের অনৈক্য দূর হয়ে আন্দোলন আরও শক্তিশালীভাবে এগিয়ে যেতে পারে।


